চাকুরী জীবি না উদ্যোগতা হবেন ?

চাকুরী জীবি না উদ্যোগতা হবেন ?

কলমে ঃ শফিকুর রহমান-৩২৫

তারিখ ঃ ১৪/০১/২০২৫ 

--------------------------> সম্মানিত পাঠক আজকে আলোচনা করবো জীবনকে সাজাতে সাহস ও বুদ্ধিমত্তা কি ভাবে'তা

কাজে লাগাবেন সেটা নিয়ে। আশা করি ভালো লাগবে। 

মনে করেন যদি আপনি শিয়ালের সামনে মাংসের টুকরা

এক পাশে,আর অন্য পাশে টাকার বান্ডিল রাখা হয় চতুর শিয়াল হয়তো মাংসের টুকরাই বেছে নেবে কারণ শিয়াল জানে না যে টাকা দিয়ে অনেক মাংস কেনা যায়!


আসলে, আপনি যদি কোন বেকার মানুষকে জব কিংবা  ব্যবসার প্রস্তাব করেন, তাহলে সেই বেকার যুবকটা জব করার সিদ্ধান্ত নেবে! কারণ বেশিরভাগ মানুষই আন্দাজ 

করতে পারেনা একটি ব্যবসা মাসিক বেতনের চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করা যেতে পারে!যিনি বাদাম চানাচুর বিক্রি 

করে আমি মনে করি তিনিও উদ্যোগতা! অবশ্যই তাদের আমি স্যলিউট জানাই। আপনি ছোট খাটো কোন ব্যবসা

প্রতিষ্ঠান খুলে নিজের ও অন্য জনের কর্মসংস্থান তৈরীর

ব্যবস্থা করুন আপনিও সফল উদ্যোগতা!


এদেশের মানুষ দরিদ্র থেকে আরও দরিদ্র হওয়ার একটি কারণ হল সাধারণ মানুষদের অথবা দরিদ্রদের উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় না বা কাজটা ঐ ভাবে 

বেসরকারি ভাবেও কোন সংস্থা বা কেউ উদ্যোগ নেয়নি।

এ ধরনের সরকারি ভাবে কোন উদ্যোগ প্রশিক্ষণ আজও

শুরু করেননি। 

এদেশে যারা বড়ো বড়ো প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়ে প্রশংসা 

কুড়িয়েছেন সবাই নিজ উদ্যোগে নিজের চেষ্টায়! 

যেমন, মেঘনা গ্রুপ বসুন্ধরা গ্রুপ নাসা গ্রুপ আকিজ গ্রুপ

এমন অনেক যাদের আজকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার গল্প'শোনি

সব নিজে চেষ্টা করে উদ্যোগতা,শিল্পপতি হয়েছেন।

মেঘনা গ্রুপ থের্মেক্স গ্রুপের মালিকদের কত টাকা ছিলো

মোস্তফা কামাল আর কাদের মোল্লা ওরা নিজে মিডিয়ায় বলেছেন! অনেকে সেটা জানেন, উদ্যোগতা হতে দেশ বা রাষ্ট্রের ভূমিকা নাই বললেই চলে, যদি আমি কোন ভুল'না করে থাকি। 


আজও স্কুলে অনেক সময় ব্যয় করে,শুধু শিখানো হয় তা হল নিজের জন্য কাজ না করে,বেতনের জন্য কাজ করা!

অথবা ডাক্তার ইন্জিনিয়ার অফিসার কিভাবে হবে সেটা। 

সকল বাবা-মা অবিভাবকেরও স্বপ্ন থাকে এমনটা,আমার

ধারণার সাথে হয়তো অনেকেরই মিলবে না! কারণটা হল

আমি জীবনে রিক্স নিতে পছন্দ করি। 


তবে চাকরির বিষয়টি আমি অবহেলায় নিচ্ছি না অবশ্যই

চাকরি জীবি না থাকলে কর্মজীবি মানুষ না থাকলে কাজ কবরে কে?তবে আমি উদ্যোগতা হওয়ার পক্ষে আজকের

পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে। তবে ঐ যে বললাম উদ্যোগতা হতে  সাহস আর বুদ্ধিমত্তা বিচক্ষণতা থাকলে সম্ভব।

সবায় উদ্যোগতা হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে না

তার কারণ হলো বাবার কারি কারি টাকা পয়সা থাকলেও 

সেটা সম্ভব নয়! কারণ বাবার বেশি টাকা হলে তার মধ্যে 

ইগো আর অহংকার অলসতা পেয়ে যায়! কর্ম স্পৃহা কম

থাকে তখন ওরা রাজনীতি এমপি মন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখে

এরপর সব শেষ,এটাই হলো বাস্তবতা।


ছোট থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে বড়ো হওয়ার যে স্বপ্ন 

সেটা একদিন বাস্তবায়িত হবে। আজকাল দেখা যায় কিছু

শিক্ষিত যুবক ছেলে মেয়ে ফুটপাতে চা নাস্তা নুডলস লাঞ্চ

সেন্ডো উইচ বিভিন্ন প্রকারের খাদ্য বিক্রি করে সমস্যা কী?

অনেকে বিভিন্ন কাপড় ইলেকট্রনিকস মালামাল ও বিক্রয়

করে তাঁরাই হলো আসল উদ্যোগতা ব্যবসা কোন লজ্জার

বিষয় না গর্ভের! চুরি আর দূর্নীতি করা লজ্জার। এ ব্যবসা

আপনাকে একদিন অনেক উপরে নিয়ে যাবে! তবে কমিট কমেন্ট পরিশ্রম সততা বিনয় তার পূর্ব শর্ত। 

 

মাসিক বেতনের উপর নির্ভর করা থেকে ব্যবসা অনেক 

গুণ ভাল! যদিও কিছুটা রিক্স থাকে। 

কারণ বেতন আপনাকে জীবন পরিচালনায় শুধু সাপোর্ট দিবে আর ব্যসায়িক সাফল্যটা আপনাকে ভাগ্য তৈরিতে

বড়ো ধরনের অবদান রাখবে।


যদিও ব্যবসাতে পেরা একটু বেশি কিন্তু আপনি অনেকটা

স্বাধীন নিশ্চিত। আপনাকে ছুটির অপেক্ষা করতে হবে না

ঠিক,তবে চব্বিশ ঘণ্টা মাথায় চাপ অনুভব হবে। চাকরিটা

কি কম চাপ নাকি বসদের সন্তুষ্টি অফিস মেইনটেইন করা

জীবনটাকে সহজ করে ফেলাই হলো আসল!


আপনি প্রতি দিন প্রতিমাস অপেক্ষায় থাকবেন অফিসের

বস কি বলে কখন বেতন হবে কখন বেতন বাড়াবে! আর

আপনি উদ্যোগতা হলে অন্যের কর্মসংস্থান হবে দেশের ও

সমাজের উপকার,উন্নতি হবে আপনি সম্মানিত হবেন! 


                                      -সমাপ্ত-

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post